আত্মসন্ধান

আমার ভেতর তুমি আছো, শুনেছি ভিন্ন ভিন্ন ভাবে- ভিন্ন ভিন্ন জনের কাছে !

আমি আর তুমি নাকি একই – আলাদা কেউ না !

নিজেকে জানলেই তোমাকে জানার শুরু হবে,

আমি বলে যে বেচারাকে চিনি, সে খুব ফাঁপরে পরে – গুমরে মরে- কই তুমি ? আমার এই আমিই বা কই ?

এই শরীর তো আমি না, আবার আমি থেকে আলাদাও না- কই সে ?

উপনিষধ বলে আমার সেই আমি নাকি ” তুরিয়া” অন্য ভাবে বললে নাকি “জীবাত্মা”

আমার এই চর্ম চক্ষু তোমাকে দেখার উপযুক্ত না, উপযুক্ত চক্ষু পেতে হবে, কর্ম বন্ধন থেকে মুক্ত হতে হবে,

বড়ই কঠিন কঠিন কথা গো – বড়ই কঠিন ! মন যে বরই অস্থির, কিছুতেই স্থির হয়না, খুজে পাইনা, নিজেকে বা তোমাকে খুঁজে পাওয়ার পথ!

মাথায় শুধু ঘুরে ফিরে আসে, সেই পুরনো প্রশ্ন – আমি কে ? কে আমি ? কি আমি ? কোথায় আমি ?

অতঃপর ইচ্ছেমৃত্যু

অসাধারন !

দ্বিধাহীন মাধবী

আজ মেঘ হোক
অনেক বেশী
আজ বৃষ্টি আসুক
সর্বনাশী
আজ ভূল হোক
ছন্নছাড়া
আজ মন হোক
বাঁধন হারা
আজ কথা হোক
শব্দহীন
আর মৃত্যু হোক
ইচ্ছাধীন

View original post

স্বপ্ন হবে

রক্ত প্রসবিত চক্ষু,
স্বপ্ন প্রসব করতে পারে না !
তোমাদের চোখের বর্ণীল স্বপ্ন দেখে কি আমার হিংসা হয় ?
হতেই পারে- কারন আমার যে নিজের কোন স্বপ্ন নেই !
আমি কি যাযাবর ? বা আত্মবিধ্বংসী কেউ ?
যার হাতে নিজের খুনের রক্ত লেগে রবে ?
এমন কি কোন ঘড় হবে যা আমাকে বেধে রাখবে,
যা আমার নিজের মনে হবে !
কিম্বা একটা স্বপ্ন হবে যা আমার নিজের মনে হবে ?
স্বপ্ন হবে- নতুন একটি স্বপ্ন ?

What is your happiest memory? Describe it in rich detail — the setting, the sights, the sounds, the smells.